রাজশাহীতে বাড়ি নির্মাণ করায় চাঁদা দাবী নাদেওয়ায় সরকারি কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম
- Update Time : ০১:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
- / ১০৯ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী মহানগরীর মহিষবাথান এলাকায় বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির জেরে এক সরকারি কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।সংবাদ ওয়েব হোস্টিং
আহত কর্মকর্তার নাম ইসরাফিল হক। তিনি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ঢাকা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক। সোমবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বিবরণ দেন।
ইসরাফিল হক জানান, প্রায় দুই মাস আগে নগরের মহিষবাথান এলাকায় তাঁর তিন কাঠা জমিতে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। শুরু থেকেই স্থানীয় মারুফ হোসেন ও মিমসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন অজুহাতে তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করতে থাকেন। কখনো বালু-পাথর সরবরাহ, কখনো বাড়ির পাশে জায়গা রাখা, আবার কখনো ঠিকাদারি বা রাস্তা ব্যবহারের কথা বলে লাখ লাখ টাকা দাবি করা হয়। নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি এর আগেও কিছু টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমি একজন সরকারি কর্মকর্তা। বাড়ি নির্মাণের কাজ তদারকির জন্য ছুটি নিয়ে রাজশাহীতে এসেছি। শুরু থেকেই বিভিন্নভাবে আমার কাছে টাকা দাবি করা হচ্ছিল। রোববার ইফতারের আগে প্রায় ২৫ জনের একটি দল আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”বাংলা ভাষা কোর্স।
এ ঘটনায় ইসরাফিল হকের স্ত্রী বাদী হয়ে রাজপাড়া থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় ৫ থেকে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে মারুফ হোসেন, মিম, তৌকির, নাহিদ, মাহিন ও ইঞ্জিনিয়ার নাবিল ওরফে রিপনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণাধীন বাড়ির পাশে জায়গা ছাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার জন্য স্থানীয় মুরুব্বি ও পুলিশের উপস্থিতিতে কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে, তবে কোনো সমাধান হয়নি।
রাজপাড়া থানার ওসি আবদুল মালেক বলেন, বাড়ি নির্মাণের সময় পাশের জায়গা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি পুলিশের জানা ছিল। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। স্থানীয়ভাবে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনার দিন বিকেলেও পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। তবে পুলিশ চলে আসার পরই হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, হামলায় আহত কর্মকর্তার বাঁ হাতের কবজিতে গুরুতর আঘাত লেগেছে। এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। চাঁদা দাবির অভিযোগও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।























