০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ১১:১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪ Time View

আবু কাওসার মাখন
নিজস্ব প্রতিবেদক

তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে রাজশাহীর জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নগরবাসী।

বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জ—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।রাতে রাস্তায় রাস্তায় দেখা যাচ্ছে বাবা মায়েরা ছোট বাচ্চাদের নিয়ে রাস্তায় পাখা হাতে ঘুরে বেড়াতে বাচ্চাদের গরমে কান্না থামাতে।বাবু নামে একজন বাবা অভিযোগ দিয়ে বলেন সারাদিন বাইরে কাজ করে এসে খাওয়া সময় কারেন্ট নাই। বাচ্চা গরমে কান্না করছে তেলের সমস্যার জন্য বাচ্চাদের মটর ঘুরে বাতাস খাওয়াবো সেটাও এখন পারছি না।
এখন রাতে ঘুম হচ্ছে না কারেন্ট না থাকায় এইভাবে সকালে কাজে যেতে হচ্ছে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।

এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনে গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, ফলে জেনারেটর চালু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

Update Time : ১১:১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

আবু কাওসার মাখন
নিজস্ব প্রতিবেদক

তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে রাজশাহীর জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নগরবাসী।

বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জ—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।রাতে রাস্তায় রাস্তায় দেখা যাচ্ছে বাবা মায়েরা ছোট বাচ্চাদের নিয়ে রাস্তায় পাখা হাতে ঘুরে বেড়াতে বাচ্চাদের গরমে কান্না থামাতে।বাবু নামে একজন বাবা অভিযোগ দিয়ে বলেন সারাদিন বাইরে কাজ করে এসে খাওয়া সময় কারেন্ট নাই। বাচ্চা গরমে কান্না করছে তেলের সমস্যার জন্য বাচ্চাদের মটর ঘুরে বাতাস খাওয়াবো সেটাও এখন পারছি না।
এখন রাতে ঘুম হচ্ছে না কারেন্ট না থাকায় এইভাবে সকালে কাজে যেতে হচ্ছে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।

এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনে গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, ফলে জেনারেটর চালু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।