যমুনা রেলওয়ে সেতুর পিলারে ‘ফাটল’, কর্তৃপক্ষ বলছে ‘ক্ষতিকর নয়’
- Update Time : ০৮:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
- / ৪৪৬ Time View

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
যমুনা নদীর ওপর নির্মিত রেলওয়ে সেতুর কয়েকটি পিলারে ‘ফাটলের’ ছবি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেগুলোকে স্থাপনার জন্য ক্ষতিকর নয় বলে দাবি করেছে যমুনা রেলসেতু কর্তৃপক্ষ।
রেলসেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, এগুলো ফাটল নয় বরং প্রচণ্ড গরমের কারণে সৃষ্ট ‘হেয়ারক্র্যাক’।
যমুনা রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল হক বলেন, “রেলসেতুর পশ্চিম প্রান্তের আট-দশটি পিলারের নিচের অংশে কিছু জায়গায় চুল আকৃতির ফাঁকা বা হেয়ারক্র্যাক দৃশ্যমান হয়েছে। যা ঘষে রেজিন বা আঠার প্রলেপ দিয়ে মেরামতের প্রক্রিয়া চলছে।”
তিনি আরও বলেন, “এটি নির্মাণ কাজের কোনো ক্রটি নয়, আবার হানিকম্ব হয়েছে সেটাও নয়। মূলত প্রচণ্ড গরম বা বৈরী আবহাওয়ায় সেতুর পিলারে শূন্য দশমিক এক থেকে তিন মিলিমিটার পর্যন্ত ক্ষুদ্র আকৃতির ক্র্যাক বা চুল আকৃতির ফাঁকা সৃষ্টি হয়েছে।
“যা মোটেও সেতুর কংক্রিটের অবকাঠামো বা স্থাপনার জন্য ক্ষতিকর নয়। এতে ট্রেন চলাচলে কোনো প্রভাবও পড়বে না।”
তবে উদ্বোধনের এক বছরের ব্যবধানে এমন ফাটল দেখা দেওয়ায় নির্মাণক্রটি এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে নানা মন্তব্য করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে।
এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল হক বলেন, “ফেইসবুকে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে চুল আকৃতি ফাঁকা স্থানগুলো আরও বড় দেখিয়ে ছবিগুলো পোস্ট করে জনমনে আতংক ছড়িয়েছে।”
দেশের দীর্ঘতম প্রথম ডাবল ট্রাকের ডুয়েল গেজের এ রেল সেতুর উদ্বোধন করা হয় চলতি বছরের ১৮ মার্চ। এতে রেলপথের সম্ভাবনাময় অগ্রযাত্রার এক নতুন দ্বার উন্মোচন হয়।
২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ২০২১ সালের মার্চে সেতুর পিলার নির্মাণের জন্য পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়।
সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৬ হাজার ৭৮০ দশমিক ৯৬ কোটি টাকা। যার ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ ঋণ হিসেবে দিয়েছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং বাকি অর্থ দিয়েছে সরকার। জাপানের ওটিজি এবং আইএইচআই যৌথভাবে সেতুটি নির্মাণ করেছে।
























