০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর পদ্মা পাড়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে স্থানীয়রা

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ০৬:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১১ Time View

আবু কাওসার মাখন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজশাহী নগরীর পদ্মা নদীর শিমলা, টিবাধ,সিএনবি মোড় এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ওই এলাকায় ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন কিশোর জড়ো হয়ে আড্ডা দেয় এবং মাঝে মধ্যেই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরুতে সাধারণ আড্ডা থাকলেও এখন তা সংঘবদ্ধ গ্যাং কার্যক্রমে রূপ নিয়েছে। কয়েকদিন পরপরই নিজেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়ে মারামারি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়াচ্ছে।

একাধিক সূত্র জানায়, এসব কিশোরদের একটি অংশকে কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে লোক সমাগম বাড়ানো, প্রভাব বিস্তার এবং অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব মেটাতে তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা পরিবার নিয়ে এখানে আসতে ভয় পাই। কখন যে মারামারি শুরু হয়, বলা যায় না। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এই কিশোর গ্যাংগুলো ভবিষ্যতে বড় ধরনের অপরাধ চক্রে জড়িয়ে পড়তে পারে।
এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহীর পদ্মা পাড়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে স্থানীয়রা

Update Time : ০৬:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

আবু কাওসার মাখন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজশাহী নগরীর পদ্মা নদীর শিমলা, টিবাধ,সিএনবি মোড় এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ওই এলাকায় ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন কিশোর জড়ো হয়ে আড্ডা দেয় এবং মাঝে মধ্যেই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরুতে সাধারণ আড্ডা থাকলেও এখন তা সংঘবদ্ধ গ্যাং কার্যক্রমে রূপ নিয়েছে। কয়েকদিন পরপরই নিজেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়ে মারামারি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়াচ্ছে।

একাধিক সূত্র জানায়, এসব কিশোরদের একটি অংশকে কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে লোক সমাগম বাড়ানো, প্রভাব বিস্তার এবং অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব মেটাতে তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা পরিবার নিয়ে এখানে আসতে ভয় পাই। কখন যে মারামারি শুরু হয়, বলা যায় না। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এই কিশোর গ্যাংগুলো ভবিষ্যতে বড় ধরনের অপরাধ চক্রে জড়িয়ে পড়তে পারে।
এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।