০৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলায় কে এস মং এর গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা।

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২৮৭ Time View

এলেক্স বড়ুয়া
বান্দরবান

বান্দরবান সদর উপজেলার, ১নং রাজবিলা ইউনিয়নের,
বিভিন্ন পাড়া থেকে আসা, জনগণের সাথে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে গণসংযোগ ও মতবিনিময় আলোচনা করেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং।

৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে তাইংখালী বাজার মাঠে স্থানীয় জনগণের আয়োজনে এই গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় রাজবিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার জনসাধারণের উপস্থিতিতে গণজোয়ারে পরিনত হয় সভাস্থল।

মংতো কারবারির সভাপতিত্বে শৈউ মারমার সঞ্চালনায়, এসময় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি ডা: মং উষাথোয়াই মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উক্ত সভার মূল আকর্ষণ আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য উঃ কে এস মং। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম বান্দরবান জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ক্যসামং মারমা, ১নং রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যঅংপ্রু মারমা, পাহাড় কন্ঠ ডটকমের প্রকাশক সাংবাদিক বাবুল খাঁন, নোয়াপতং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শম্ভু কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বান্দরবান জেলা জনসংহতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক উবাচিং মারমা, চাইশৈ প্রু মারমা, অজয় বড়ুয়া, প্রকৃতি বড়ুয়া প্রমুখ।

গণসংযোগে বক্তারা বলেন, দলমত নির্বিশেষে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অস্তিত্ব ধরে রাখতে আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং-কে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কে এস মং বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ সময় ধরে বাঙালি, চাকমা,মারমা,তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা,বম,লুসাইসহ একাধিক জনগোষ্ঠীর বসবাস তায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে কোনো জাতিগোষ্ঠীর একার দাবি করা যাবেনা। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন হলে শুধু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাভই না পার্বত্য চট্রগ্রামে বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠীর লাভ। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর সকল সমস্যা সমাধান এবং জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দলমত নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠীর একত্রিত হয়ে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরো বলেন দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। এখন পার্বত্য চট্রগ্রামের মানুষের কাছে এসে পাহাড়ের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই পাহাড়ের অস্তিত্ব রক্ষার্থে কাজ করতে চাই।

প্রসঙ্গত, “গত ২০২৪ সালের পাঁচ আগষ্ট সরকার পরিবর্তনের পর পার্বত্য জেলা বান্দরবানের গণমানুষের স্বার্থরক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এবং পার্বত্যবাসীর প্রানের দাবী পার্বত্য চট্টগ্রাম ‘শান্তিচুক্তি’বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং। জনগণের সুখ-দুঃখের কথা শুনতে সমস্যা সমাধানের চেষ্টায় ছুটে যাচ্ছেন পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলার দুর্গম এলাকায়। এর আগে তিনি রুমা,থানচি,রোয়াংছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার জনমানুষের কাছে ছুটে গিয়েছেন তাদের সুখ দুঃখের কথা শুনেছেন এবং রুমা উপজেলা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার মানুষের কাছে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দিয়েছেন ও আগামীতেও আরো ৫ উপজেলায় ফ্রী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের কথা জানিয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলায় কে এস মং এর গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা।

Update Time : ০৯:১৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

এলেক্স বড়ুয়া
বান্দরবান

বান্দরবান সদর উপজেলার, ১নং রাজবিলা ইউনিয়নের,
বিভিন্ন পাড়া থেকে আসা, জনগণের সাথে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে গণসংযোগ ও মতবিনিময় আলোচনা করেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং।

৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে তাইংখালী বাজার মাঠে স্থানীয় জনগণের আয়োজনে এই গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় রাজবিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার জনসাধারণের উপস্থিতিতে গণজোয়ারে পরিনত হয় সভাস্থল।

মংতো কারবারির সভাপতিত্বে শৈউ মারমার সঞ্চালনায়, এসময় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি ডা: মং উষাথোয়াই মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উক্ত সভার মূল আকর্ষণ আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য উঃ কে এস মং। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম বান্দরবান জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ক্যসামং মারমা, ১নং রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যঅংপ্রু মারমা, পাহাড় কন্ঠ ডটকমের প্রকাশক সাংবাদিক বাবুল খাঁন, নোয়াপতং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শম্ভু কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বান্দরবান জেলা জনসংহতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক উবাচিং মারমা, চাইশৈ প্রু মারমা, অজয় বড়ুয়া, প্রকৃতি বড়ুয়া প্রমুখ।

গণসংযোগে বক্তারা বলেন, দলমত নির্বিশেষে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অস্তিত্ব ধরে রাখতে আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং-কে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কে এস মং বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ সময় ধরে বাঙালি, চাকমা,মারমা,তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা,বম,লুসাইসহ একাধিক জনগোষ্ঠীর বসবাস তায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে কোনো জাতিগোষ্ঠীর একার দাবি করা যাবেনা। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন হলে শুধু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাভই না পার্বত্য চট্রগ্রামে বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠীর লাভ। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর সকল সমস্যা সমাধান এবং জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দলমত নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠীর একত্রিত হয়ে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরো বলেন দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। এখন পার্বত্য চট্রগ্রামের মানুষের কাছে এসে পাহাড়ের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই পাহাড়ের অস্তিত্ব রক্ষার্থে কাজ করতে চাই।

প্রসঙ্গত, “গত ২০২৪ সালের পাঁচ আগষ্ট সরকার পরিবর্তনের পর পার্বত্য জেলা বান্দরবানের গণমানুষের স্বার্থরক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এবং পার্বত্যবাসীর প্রানের দাবী পার্বত্য চট্টগ্রাম ‘শান্তিচুক্তি’বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং। জনগণের সুখ-দুঃখের কথা শুনতে সমস্যা সমাধানের চেষ্টায় ছুটে যাচ্ছেন পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলার দুর্গম এলাকায়। এর আগে তিনি রুমা,থানচি,রোয়াংছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার জনমানুষের কাছে ছুটে গিয়েছেন তাদের সুখ দুঃখের কথা শুনেছেন এবং রুমা উপজেলা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার মানুষের কাছে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দিয়েছেন ও আগামীতেও আরো ৫ উপজেলায় ফ্রী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের কথা জানিয়েছেন।