রাজশাহীতে কলেজ শিক্ষিকাকে বিএনপি নেতার মারধরের আগের যে ছবি গণমাধ্যমে আসেনি
- Update Time : ০৮:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
- / ১২০ Time View

আবু কাওসার মাখন
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি ডিগ্রী কলেজে এক শিক্ষিকাকে বিএনপি নেতার মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে দেশজুড়ে বিএনপিকে জড়িয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, আগামী ৪ ও ৫ মে দাওকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয়ভাবে তাফসিরুল কুরআন মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রনপত্র এবং আর্থিক সহযোগিতার জন্য এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাদের সাথে নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষের সাথে দেখা করতে যান। এসময় ইংরেজি বিভাগের শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরা অধ্যক্ষের পাশের চেয়ারে বসেছিলেন।
আলেয়া খাতুন হীরা অধ্যক্ষের সাথে স্থানীয়দের কথাবার্তা ভিডিও করতে শুরু করেন। ভিডিও করতে নিষেধ করলে বিএনপি নেতার সঙ্গে হীরার বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে হীরা সবার সামনে বিএনপির এক নেতাকে থাপ্পড় দেন। এসময় বিএনপির এক নেতা পায়ের স্যান্ডেল খুলে হীরাকে মারধর করেন।
ঘটনার পর বিএনপি নেতারা কলেজ থেকে চলে যাবার সময় আলেয়া খাতুন হীরা কলেজ মাঠে বিএনপির এক নেতাকে মারধর ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মারধর করেন।ভিডিও করতে গেলে মোবাইল কেড়ে নেন। আলেয়া খাতুন হীরার মারধরের শিকার হন জয়নগর ইউনিয়ন কৃষকদল নেতা জয়নাল আবেদিন, মৎস্য ব্যবসায়ী শাহাদত হোসেন ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এজদার আলী।
কলেজের একাধিক শিক্ষক জানান, আলেয়া খাতুন হীরা অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় অন্য শিক্ষকদের তিনি পাত্তা দেন না এবং দুর্ব্যবহার করেন।অধ্যক্ষে কক্ষে পাশে চেয়ার নিয়ে সেখানে তার বসে থাকার কথা না।
বিএনপি নেতারা যানান,মাহফিল কেন্দ্র করে আমরা অধ্যক্ষে সাথে আলোচনা করতে যায়।সেখানে গিয়ে দেখি অধ্যক্ষের পাশে চেয়ার নিয়ে আলেয়া খাতুন বসা। আমাদের দেখে ভিডিও করা শুরু করে আমরা নিষেধ করা মাত্র যে সে চেচামেচি শুরু করে। অধ্যক্ষে কোন কথা বলতে দিচ্ছে না মনে হচ্ছে সে অধ্যক্ষ আর অধ্যক্ষ তার পিয়ন।সেখানেই আমাদের মারে আমারও রাগ সসজ্জ করতে না পেরে মারত যায়।কিন্তু মহিলা সবাইকে বাইরে এসে রাস্তায় ফেলে দিয়ে মারে মোবাইল কেড়ে নেই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আলেয়া খাতুন হীরা বলেন, যারা এসেছিলেন, তারা মাহফিলের নামে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। অধ্যক্ষকে রক্ষা করতে গিয়ে তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। তারা আমাকে মারধর করেছে।কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
















